সময়পত্র ডেস্ক: নতুন পে-স্কেলের সুপারিশ করতে যাচ্ছে অর্থ মন্ত্রণালয়। দুই অর্থবছরে চার ধাপে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করা হতে পারে।
অনুমোদনের জন্য সুপারিশগুলো সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করার কথা রয়েছে।
সরকারের উচ্চপর্যায়ের আলোচনার ভিত্তিতে ধাপে ধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়নের কৌশল নেওয়া হচ্ছে। মূলত অভ্যন্তরীণ সম্পদ সংগ্রহের মাধ্যমেই এর ব্যয় নির্বাহ করা হবে। সরকারি কর্মচারীদের প্রত্যাশা পূরণ এবং চলমান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক চাপ সামলাতেই এ পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়েছে।
২০টি গ্রেড রেখেই পে-স্কেল চূড়ান্ত করছে সরকার। তবে কর্মচারীদের দাবি, বৈষম্য এড়াতে গ্রেডের সংখ্যা কমানো উচিত।
সবকিছু ঠিক থাকলে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে পে-স্কেলের গেজেট জারি হতে পারে। কর্মচারী ও পেনশনভোগীসহ মোট সুবিধাভোগীর সংখ্যা হবে ২০ লাখের কিছু বেশি।
সচিব কমিটির প্রস্তাব অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে মূল বেতন এবং পরবর্তী অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে।
প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, মূল বেতনের ৩০ শতাংশ চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর করা হবে এবং আরও ৩৫ শতাংশ আগামী বছরের শুরু থেকে কার্যকর হবে। মূল বেতনের অবশিষ্ট অংশ পরবর্তী অর্থবছরের জুলাইয়ে এবং এরপর ওই অর্থবছরের জানুয়ারিতে ভাতাগুলো বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হতে পারে।
অর্থাৎ দুই অর্থবছরে মোট চার ধাপে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

