সময়পত্র ডেস্ক: নেপাল ও তিব্বতে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ৬৯১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন তিন হাজারের বেশি মানুষ। দুর্গত বিভিন্ন এলাকায় উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
রোববার (৩০ আগস্ট) সকাল পর্যন্ত পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও দুর্গম এলাকাগুলোতে নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান চালাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা।
এরই মধ্যে নতুন করে ভোতে-কোশি নদীর পানি বাড়তে থাকায় বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। নদীর আশপাশের বাসিন্দাদের সতর্ক করেছে নেপালের জাতীয় দুর্যোগ সংস্থা।
হিমবাহ ধসের ঘটনায় শুধু নেপালেই ৬৭৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের বেশিরভাগের পরিচয় এখনও শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে মরদেহ সৎকারের আগে ডিএনএ নমুনা সংরক্ষণের ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ।
দুর্যোগের পর এ পর্যন্ত সাড়ে চার হাজার মানুষকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে প্রায় ২৫০ জন বিদেশি পর্যটক রয়েছেন।
এদিকে, জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের টানেলে আটকা পড়া বিপুলসংখ্যক মানুষকে উদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহায়তা চেয়েছে কাঠমান্ডু।
অন্যদিকে, তিব্বতে প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ জনে। সেখানে এখনও সাড়ে ৫০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
গত কয়েক দিনের ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে হিমালয়ের পাদদেশীয় এই অঞ্চলে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নেপাল-চীন সীমান্তবর্তী পার্বত্য এলাকায় বন্যার পানির সঙ্গে কাদা, পাথর ও ধ্বংসাবশেষের স্রোতে বহু স্থাপনা ও যোগাযোগ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে উদ্ধারকাজও ব্যাহত হচ্ছে।

