ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযানের মাধ্যমে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করার পর নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ অভিযানের পেছনে মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচারকারী ড্রাগ কার্টেলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে ধরেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে মাদক প্রবাহের জন্য মাদুরো সরাসরি দায়ী। এই অভিযোগকে সামনে রেখে ক্যারিবিয়ান সাগর এলাকায় একাধিক সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে, যেগুলোকে অনেক বিশ্লেষক বিচারবহির্ভূত শক্তি প্রয়োগ হিসেবে দেখছেন।
স্থানীয় সময় শনিবার (৩ জানুয়ারি) গভীর রাতে মার্কিন বাহিনীর অভিযানে নিকোলাস মাদুরোকে আটক করা হয়। ঘটনার পরপরই এক বক্তব্যে ট্রাম্প ঘোষণা দেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার তেল শিল্পে “অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে” জড়িত থাকবে।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী তেল কোম্পানিগুলো রয়েছে এবং সেগুলো ভেনেজুয়েলার তেল খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বক্তব্য স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয় যে ভেনেজুয়েলার বিশাল তেলসম্পদই মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার পেছনে অন্যতম প্রধান প্রণোদনা। তাদের ধারণা, মাদক পাচার বা স্বৈরশাসনের অভিযোগগুলো মূলত যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক বর্ণনার অংশ, যার আড়ালে রয়েছে জ্বালানি ও ভূরাজনৈতিক স্বার্থ।

