ক্রীড়া ডেস্ক: ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই শুধু মাঠের লড়াই নয়, সমান আকর্ষণ থাকে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর জার্সি নিয়েও। প্রতিবছরের মতো এবারও ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও আধুনিক নকশার মিশেলে তৈরি জার্সিগুলো ফুটবলপ্রেমীদের নজর কেড়েছে। হোম ও অ্যাওয়ে কিটের সামগ্রিক সৌন্দর্য বিবেচনায় প্রকাশিত এক তালিকায় সেরা জার্সির স্বীকৃতি পেয়েছে ফ্রান্স।
তালিকার ১০ নম্বরে রয়েছে মরক্কো। দেশটির ঐতিহ্যবাহী জ্যামিতিক নকশা ও সংস্কৃতির ছোঁয়ায় তৈরি জার্সি আলাদা পরিচিতি পেয়েছে। ৯ নম্বরে থাকা স্পেন তাদের ঐতিহ্যবাহী লাল হোম জার্সির পাশাপাশি ক্রিম রঙের আভিজাত্যপূর্ণ অ্যাওয়ে কিট দিয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
৮ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। বিশেষ করে বেগুনি রঙের ফুলেল নকশার অ্যাওয়ে জার্সিটি বেশ নজর কেড়েছে। ৭ নম্বরে থাকা জাপান তাদের ঐতিহ্যবাহী সামুরাই ব্লু হোম কিটের পাশাপাশি বেসবল ইউনিফর্ম থেকে অনুপ্রাণিত অফ-হোয়াইট অ্যাওয়ে জার্সিতে এনেছে ভিন্ন মাত্রা।
৬ নম্বরে রয়েছে মেক্সিকো। আদিবাসী সংস্কৃতির ছাপ বহন করা হোম ও অ্যাওয়ে কিটের পাশাপাশি তাদের কালো রঙের থার্ড জার্সিটিও ফ্যাশনপ্রেমীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
পঞ্চম স্থানে আছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। ঐতিহ্যবাহী হলুদ হোম জার্সির সঙ্গে আমাজন রেইনফরেস্টের অনুপ্রেরণায় তৈরি নীল-কালো অ্যাওয়ে কিটটি এবারের অন্যতম ব্যতিক্রমী ডিজাইন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র রয়েছে চতুর্থ স্থানে। ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপের স্মৃতি ফিরিয়ে আনা লাল-সাদা হোম কিট এবং ক্লাসিক ‘স্টারস অ্যান্ড স্ট্রাইপস’ ধাঁচের অ্যাওয়ে জার্সি সমর্থকদের মন জয় করেছে।
ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা রয়েছে তৃতীয় অবস্থানে। আকাশি-সাদা ঐতিহ্যবাহী নকশার পাশাপাশি বুয়েনস আইরেসের শিল্পভাবনা থেকে অনুপ্রাণিত কালো অ্যাওয়ে জার্সিটি তালিকায় বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে।
দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উরুগুয়ে। ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের ঐতিহাসিক স্মৃতিকে আধুনিক ডিজাইনের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে তাদের জার্সিতে।
তবে নান্দনিকতা ও আভিজাত্যের বিচারে সবার ওপরে রয়েছে ফ্রান্স। ফোল্ড-ওভার কলার, ব্রোঞ্জের সূক্ষ্ম অলংকরণ এবং নীল রঙের বিভিন্ন শেডে তৈরি তাদের হোম জার্সির সঙ্গে দৃষ্টিনন্দন অ্যাওয়ে কিটটি এবারের বিশ্বকাপে ফ্যাশনের নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে।

