নিজস্ব প্রতিনিধি:
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি গরু মারা গেছে এবং একটি টিনশেড বসতঘর পুড়ে গেছে। এ ঘটনায় দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন গৃহকর্ত্রী জহুরা বেগম (৫০)। অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ৯ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার জামশা ইউনিয়নের বাস্তা উত্তরপাড়া এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য ও প্রবাসী আফসার উদ্দিনের পুত্রবধূ সুমনা আক্তার জানান, আগুনে তাঁদের প্রায় পাঁচ লাখ টাকা মূল্যের একটি ষাঁড় গরু পুড়ে মারা গেছে। এ ছাড়া টিনশেড বসতঘরটি পুড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আগুন নেভাতে গিয়ে তাঁর শাশুড়ি জহুরা বেগম দগ্ধ হন। পরে তাঁকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৯ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ইস্তাফুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। এতে একটি টিনশেড ঘর পুড়ে গেছে, একটি বড় আকারের গরু মারা গেছে এবং মাঝারি আকারের আরেকটি গরু আহত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ৯ লাখ টাকা।
এ বিষয়ে জামশা ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিট অফিসার পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রেজাউল করিম বলেন, অগ্নিকাণ্ডে একটি গরু মারা গেছে এবং গৃহকর্ত্রী আহত হয়েছেন বলে তিনি শুনেছেন। কিছুক্ষণের মধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাবেন বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে, সিংগাইর ফায়ার সার্ভিসের ফায়ার লিডার মো. মহিবুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে সেকেন্ড ইনচার্জ রতন আলীর নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। সর্বশেষ ফায়ার সার্ভিসের সরকারি নম্বরে যোগাযোগ করা হলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ফায়ার ফাইটার জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গত রাতে তাঁদের কাছে কোনো খবর আসেনি।

