সময়পত্র ডেস্ক: একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রয়াত জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার বাদী বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) দিনভর উত্তেজনা ও নানা জটিলতার পর দিবাগত রাত ২টার দিকে পিরোজপুরে নিজ বাড়িতে তাকে দাফন করা হয়।
স্থানীয় জামায়াত নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বাধার মুখে শনিবার দুপুর থেকেই মানিক পশারীর মরদেহ দাফন এবং মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গার্ড অব অনার প্রদান নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে অনেকটা গোপনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। নিরাপত্তার কারণে পরে মরদেহ প্রশাসনের হেফাজতেও রাখা হয়।
রাত সাড়ে ১১টার দিকে মানিক পশারীর বাড়িতে কবর খনন ও দাফনের প্রস্তুতি শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে রাত ২টার দিকে তার নিজ বাড়িতে দাফন সম্পন্ন করা হয়।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম দাফন সম্পন্ন হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ১২ আগস্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী পিরোজপুর থানায় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তী সময়ে মামলাটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাঈদীর বিরুদ্ধে চলা মূল মামলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়।
শনিবার মানিক পশারীর মৃত্যুর পর তার দাফন ও মৃত্যুর পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে স্থানীয় জামায়াত নেতাদের বাধার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দিনভর উত্তেজনা বিরাজ করে।

