সময়পত্র ডেস্ক: দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ ক্যাম্পাসের কাছাকাছি সত্য নিকেতনে একটি ভবন ধসে পড়ার ঘটনায় শিক্ষার্থীদের আবাসন নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রোববারের এ ঘটনায় খবর পেয়ে ভারতের জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ) ও দিল্লি পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেন।
সত্য নিকেতন ও আশপাশের এলাকায় দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী বসবাস করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে আসনসংখ্যা সীমিত হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী বাধ্য হয়ে বেসরকারি পিজি (পেয়িং গেস্ট) ও ভাড়া বাসায় থাকেন। তবে এসব আবাসনের উচ্চ ভাড়া এবং ভবনের নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা প্রশ্ন রয়েছে।
ঘটনার পর দিল্লি পুলিশ একটি মামলা করেছে। এদিকে ভবনটির মালিক আনন্দ বনসাল পলাতক রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয় বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, প্রায় এক বছর আগে ভবনটি খালি করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দুই থেকে তিন মাস আগে সেখানে আবার পিজি হিসেবে বসবাসের ব্যবস্থা চালু করা হয়। ফলে ভবনটি খালি করার পর কীভাবে পুনরায় সেখানে বসবাসের অনুমতি দেওয়া হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
একই সঙ্গে বসবাসের জন্য ভবনটি পুনরায় ব্যবহারের আগে এর কাঠামোগত স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা যথাযথভাবে পরীক্ষা করা হয়েছিল কি না, সেই প্রশ্নও সামনে এসেছে।
সত্য নিকেতনের এ ঘটনা দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসনের প্রয়োজনীয়তাকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। ব্যক্তিমালিকানাধীন পিজি ও ভাড়া বাসাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পরিদর্শন ও যথাযথ কাঠামোগত যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তাও জোরালো হয়েছে।

