সময়পত্র ডেস্ক: কলকাতার হোটেল শিখা ইনে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাতক্ষীরার আলিমুজ্জামান সাজুর মরদেহ দেশে পৌঁছেছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে তার মরদেহ ভোমরা স্থলবন্দরে পৌঁছায়। ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
পরে লাশবাহী গাড়িতে করে সাজুর মরদেহ সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার বরেয়া গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হবে। সেখানে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
এদিকে, কুষ্টিয়ার একই পরিবারের চার সদস্যসহ সাভারের আহমেদ বাবুর মরদেহ এখনো কলকাতার হিমঘরে রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এরপর অ্যাম্বুলেন্সে করে দেশে আনা হবে।
নিহতদের পরিবারের সদস্যদের জন্য বিশেষ পাসপোর্টের ব্যবস্থা করেছে বাংলাদেশ হাইকমিশন। এছাড়া পরিবারের ইচ্ছায় নিহত এক নারীর মরদেহ কলকাতার নিমতলা শ্মশানে সৎকার করা হয়েছে।
এর আগে বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে কলকাতার হোটেল শিখা ইনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নয়জন নিহত হন। তাদের মধ্যে সাতজনই বাংলাদেশি। এ ঘটনায় দগ্ধদের মধ্যেও কয়েকজন বাংলাদেশি রয়েছেন।
কলকাতার হোটেল শিখা ইনে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাতক্ষীরার আলিমুজ্জামান সাজুর মরদেহ দেশে পৌঁছেছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে তার মরদেহ ভোমরা স্থলবন্দরে পৌঁছায়। ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
পরে লাশবাহী গাড়িতে করে সাজুর মরদেহ সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার বরেয়া গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হবে। সেখানে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
এদিকে, কুষ্টিয়ার একই পরিবারের চার সদস্যসহ সাভারের আহমেদ বাবুর মরদেহ এখনো কলকাতার হিমঘরে রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এরপর অ্যাম্বুলেন্সে করে দেশে আনা হবে।
নিহতদের পরিবারের সদস্যদের জন্য বিশেষ পাসপোর্টের ব্যবস্থা করেছে বাংলাদেশ হাইকমিশন। এছাড়া পরিবারের ইচ্ছায় নিহত এক নারীর মরদেহ কলকাতার নিমতলা শ্মশানে সৎকার করা হয়েছে।
এর আগে বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে কলকাতার হোটেল শিখা ইনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নয়জন নিহত হন। তাদের মধ্যে সাতজনই বাংলাদেশি। এ ঘটনায় দগ্ধদের মধ্যেও কয়েকজন বাংলাদেশি রয়েছেন।

