সময়পত্র ডেস্ক: সর্বজনীন পেনশন স্কিমে ফের গতি আনতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের ৪ কোটি পরিবারের অন্তত একজন সদস্যকে এ স্কিমের আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে লেনদেন ও হিসাব পরিচালনার জন্য ৪৫টি ব্যাংকের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করেছে কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিজিএমইএ ভবনে পোশাক কারখানার শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব তথ্য জানান জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. সুরাতুজ্জামান।
তিনি জানান, ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী নাগরিকরা চারটি স্কিমের আওতায় বিভিন্ন মেয়াদে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ জমা রাখতে পারবেন। ৬০ বছর বয়সের পর থেকে আমৃত্যু পেনশন পাওয়ার সুযোগ থাকবে। বর্তমানে মুনাফার হার ৮ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। পেনশনভোগীর ৭৫ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগে মৃত্যু হলে মনোনীত ব্যক্তি ওই সময় পর্যন্ত অর্থ পাওয়ার সুযোগ পাবেন। এছাড়া প্রয়োজন অনুযায়ী পেনশনের ৩০ শতাংশ অর্থ এককালীন উত্তোলন করা যাবে।
জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে প্রায় ৩ লাখ ৮০ হাজার মানুষ বিভিন্ন স্কিমে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। এসব স্কিমে জমা পড়েছে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা। প্রকল্পের আরও উন্নয়নে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) থেকে ১০০ বিলিয়ন ডলার ঋণের সম্মতি পাওয়া গেছে বলেও জানান ড. সুরাতুজ্জামান।
আলোচনা সভায় বিজিএমইএ সভাপতি শ্রমিকদের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ৬০ বছরের পরিবর্তে ৫৫ বছর বয়স থেকেই পেনশন দেওয়ার সুপারিশ করেন। পাশাপাশি সরকার প্রণোদনা দিলে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের কার্যক্রম আরও দ্রুত সম্প্রসারিত হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

