বাগেরহাটের শরণখোলায় বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় সেনাবাহিনীসহ যৌথ বাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল প্রায় ১১টার দিকে শরণখোলা উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নারী ভোটারদের কেন্দ্রে যাওয়া নিয়ে বাধা দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে উভয় পক্ষের সমর্থকরা মুখোমুখি হলে অন্তত ১৫ জন আহত হন। গুরুতর আহতদের মধ্যে ৫ থেকে ৬ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
এদিকে, বাগেরহাট-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিম এবং জামায়াত প্রার্থী মনজুরুল হক রাহাদ অভিযোগ করেছেন, ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং তাদের পোলিং এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।
পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন স্থান থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে। বাগেরহাট শহরের হাড়িখালী কাঠেরপুল এলাকার একটি আসবাবপত্রের দোকান থেকে হাতুড়ি, ছুরি ও হাসুয়াসহ বেশ কিছু অস্ত্র জব্দ করা হয়। এছাড়া কচুয়া উপজেলার বিস্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের পাশ থেকে পাঁচটি দেশীয় অস্ত্রসহ নাহিদ ইসলাম নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

