প্রায় এক দশক পর সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর সুপারিশ করেছিল জাতীয় বেতন কমিশন। কমিশনের প্রস্তাবে প্রথম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত বেতন ১০০ থেকে ১৪৭ শতাংশ বৃদ্ধির কথা বলা হয়। তবে এসব সুপারিশ বাস্তবায়নের কোনো পরিকল্পনা অন্তর্বর্তী সরকারের নেই বলে জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
তিনি বলেন, পে স্কেল নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন নতুন বেতন কাঠামো না থাকায় পে কমিশন গঠনের দাবি ছিল। সে দাবির প্রেক্ষিতেই কমিশন প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকার সেই প্রতিবেদন বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয়নি। কেবল সুপারিশগুলো যাচাই-বাছাই করার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
উপদেষ্টা আরও বলেন, পে কমিশনের প্রতিবেদন প্রকাশের কারণে বাজারে পণ্যমূল্য বাড়ার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। সরকার পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিতে চায়, নতুন পে স্কেল কার্যকরের প্রশ্ন এখন নেই। কমিশনের সুপারিশ ঘিরে বিভিন্ন ধরনের আন্দোলন ও চাপ তৈরি হচ্ছিল, যাতে ভবিষ্যৎ সরকার দায়িত্ব গ্রহণের সময় সংকটে না পড়ে—সেই বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
এ সময় তিনি আরও দাবি করেন, মন্ত্রীদের জন্য ৯ হাজার বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাট নির্মাণ সংক্রান্ত কোনো প্রস্তাব সরকারি ক্রয় কমিটির আলোচনায় আসেনি।

