দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) ইন্টারপোলের পাঠানো একটি ই-মেইলে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
এর আগে জ্ঞাত আয়ের উৎসের বাইরে সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে শেখ আব্দুল হান্নান এবং তার স্ত্রী তাহমিদা বেগমের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করে দুদক।
প্রথম মামলার অভিযোগে বলা হয়, শেখ আব্দুল হান্নান বৈধ আয়ের বাইরে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৫১ হাজার ৫০৬ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন। এ ছাড়া তার নামে থাকা ছয়টি ব্যাংক হিসাবে মোট ২৭ কোটি ৬৩ লাখ ৬৬ হাজার ৭০১ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এসব অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, দ্বিতীয় মামলায় তাহমিদা বেগমের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের বাইরে ১ কোটি ৯১ লাখ ৯০ হাজার ৩০৪ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। তার নামে থাকা ৩২টি ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১ কোটি ১৮ লাখ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্যও পাওয়া গেছে।
এ মামলায় তাহমিদা বেগমকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। পাশাপাশি তাকে অবৈধ সম্পদ অর্জনে সহায়তার অভিযোগে শেখ আব্দুল হান্নানকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে।

