পুলিশ জানায়, গ্রেফতার ব্যক্তিদের কাছ থেকে একটি পিস্তল, একটি রিভলবার ও একটি দেশীয় এলজি উদ্ধার করা হয়েছে। ব্যবসায়িক বিরোধ ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর আগে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ডের অলিনগর এলাকায় তারেক হোসেন বাপ্পি ও তাফসির আলম শাওনের পথরোধ করে ৮ থেকে ১০ জনের একটি দল। এ সময় তাদের এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। একপর্যায়ে দুজনকে গুলি করে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা।
পরে স্থানীয়রা বাপ্পি ও শাওনকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক বাপ্পিকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, শাওনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় বাপ্পির পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের পর অভিযানে নামে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও ঘটনার পেছনের কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।

