রোববার (১৮ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আইনজীবী আপিল করেন।
এর আগে গত ১০ অক্টোবর বিচারপতি মুজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করেন। ওই রায়ে ৬৬৬ কোটি টাকা বকেয়া কর আদায়ের জন্য এনবিআরকে অবিলম্বে চাহিদাপত্র জারি করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
রায়ে আদালত পর্যবেক্ষণ করেন, গ্রামীণ টেলিকমের নামে জমা দেওয়া উৎসে করের চালানের সুবিধা গ্রামীণ কল্যাণ নিজেদের কর পরিশোধের ক্ষেত্রে দাবি করতে পারে না। এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে কর ফাঁকির একটি ধ্রুপদি নজির হিসেবেও উল্লেখ করেন আদালত।
এর আগে এনবিআরের কর দাবির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল গ্রামীণ কল্যাণ। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১০ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠানটির করা রিট আবেদন খারিজ করে রায় দেন হাইকোর্ট।

