রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াছিন মিয়া জানান, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ছোট মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে অফিসার্স ক্লাবে যান মোশাররফ হোসেন। সেখানে মেয়েকে সুইমিংপুলের পাশে রেখে তিনি পাশের নির্মাণাধীন ভবনে প্রবেশ করেন। পরে ওই ভবন থেকেই তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, চোখে কিছুটা কম দেখার কারণে ভবনটির তৃতীয় তলা থেকে নিচতলার ফাঁকা জায়গায় পড়ে গিয়ে তাঁর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।
পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারের অনুরোধে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। মোশাররফ হোসেনের বড় মেয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফেরার পর তাঁর দাফন সম্পন্ন করা হবে।

