ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসার ঘোষণা দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। সোমবার (৩ আগস্ট) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচনার কথা জানানোর পর ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৪ শতাংশের বেশি কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৩ দশমিক ৮৮ ডলারে নেমে যায়। তথ্যসূত্র: রয়টার্স
এর আগে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক হামলার পরিকল্পনা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। এর পরিবর্তে হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করা এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সমঝোতার পথ খোঁজা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে বাজারের উদ্বেগ কিছুটা কমেছে। এর প্রভাব পড়েছে তেলের দামে।
তেলের দরপতনের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের শেয়ারবাজারের ফিউচার মার্কেটেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যায়। এসঅ্যান্ডপি ৫০০ ফিউচার ০.৫ শতাংশ, নাসডাক ফিউচার ০.৮ শতাংশ এবং ইউরোপীয় ফিউচার ০.৭ শতাংশ বেড়েছে।
তবে এশিয়ার প্রধান শেয়ারবাজারগুলোতে ছিল বিপরীত চিত্র। জাপানের নিক্কেই সূচক প্রায় ২ শতাংশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কোসপি ৪ শতাংশের বেশি কমেছে। জাপানের বাইরে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের এমএসসিআই সূচকও প্রায় ১ শতাংশ কমে যায়।
অন্যদিকে, ডলারের বিপরীতে জাপানি ইয়েন প্রায় ০.৫ শতাংশ শক্তিশালী হয়ে প্রতি ডলারে ১৫৬ দশমিক ৪৭ ইয়েনে লেনদেন হয়।
তেলের বাজারে অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে মার্কিন বন্ড বাজারেও। যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের ফলন ৩ দশমিক ৭ বেসিস পয়েন্ট কমে ৫ দশমিক ২৩৮ শতাংশে নেমে এসেছে।

