মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের সরবরাহে বিঘ্ন দেখা দেওয়ায় রাজধানীতে তেলের সংকট আরও প্রকট হয়ে উঠেছে। এতে একদিকে যেমন ভোগান্তিতে পড়েছেন যানবাহন চালকরা, অন্যদিকে চাপে পড়েছে ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষও।
সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় একাধিক ফিলিং স্টেশন বন্ধ দেখা গেছে। কোথাও কোথাও সীমিত পরিসরে জ্বালানি সরবরাহ করা হলেও তা চাহিদার তুলনায় অনেক কম।
পরীবাগের একটি ফিলিং স্টেশনে দেখা গেছে, রেশনিং পদ্ধতিতে অকটেন সরবরাহ করা হচ্ছে। সেখানে মোটরসাইকেলের জন্য সর্বোচ্চ ৫ লিটার এবং ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য ১০ লিটার করে তেল দেওয়া হচ্ছে।
এ কারণে সকাল থেকেই বিভিন্ন পাম্পে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। অনেক চালককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে শুধুমাত্র অল্প পরিমাণ জ্বালানি সংগ্রহের জন্য।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরবরাহে অস্বাভাবিকতা এবং সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা—এই দুই কারণে পাম্পগুলোতে এক ধরনের অঘোষিত সংকট তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

