সময়পত্র ডেস্ক: বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোতে টিকাদান কর্মসূচি চালু রাখতে টিকা কেনার জন্য সহায়তাকারী সংস্থা গ্যাভিকে ৬০ কোটি ডলারের অর্থ ছাড় দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কংগ্রেস অনুমোদিত এই অর্থ এর আগে আটকে রাখা হয়েছিল। খবর রয়টার্সের।
বুধবার (২৯ জুলাই) ট্রাম্প প্রশাসনের এক বিবৃতিতে অর্থ ছাড়ের বিষয়টি জানানো হয়। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা সচিব রবার্ট এফ. কেনেডি জুনিয়র টিকার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলে গ্যাভির জন্য বরাদ্দ অর্থ আটকে দেওয়া হয়। তবে তাঁর দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পারদযুক্ত টিকার পরিবর্তে নতুন পারদমুক্ত বিকল্প টিকার ব্যবহার বাড়াতে গ্যাভি সম্মত হওয়ার পরই অর্থ ছাড়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে গ্যাভির পরিচালনা পর্ষদে যুক্তরাষ্ট্রের আগের অবস্থান পুনর্বহালের প্রত্যাশার কথাও জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ভবিষ্যতে গ্যাভিকে দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা সংস্থাটির সংস্কার, জবাবদিহি ও কার্যকারিতার ক্ষেত্রে দৃশ্যমান অগ্রগতির ওপর নির্ভর করবে বলেও জানানো হয়েছে।
এর আগে গ্যাভির মোট অর্থায়নের প্রায় ১৩ শতাংশই আসত যুক্তরাষ্ট্র থেকে। মার্কিন সহায়তা বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং অন্যান্য উচ্চ আয়ের দেশের অনুদান কমে যাওয়ায় অর্থসংকটের মুখে পড়েছিল সংস্থাটি। পরিস্থিতি সামাল দিতে গ্যাভি ব্যয় কমানোর বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়।
গ্যাভির প্রধান নির্বাহী সানিয়া নিশতার জানিয়েছেন, সংস্থাটি ধীরে ধীরে পারদভিত্তিক সংরক্ষণকারীযুক্ত টিকার ব্যবহার থেকে সরে আসছে। টিকার এই উপাদান নিয়েই কেনেডি জুনিয়র আগে উদ্বেগ জানিয়েছিলেন।
বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোতে হাম, ডিপথেরিয়াসহ বিভিন্ন রোগের টিকা সরবরাহে গ্যাভির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। গত জুনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওও সংস্থাটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পুনরায় কাজ শুরু করার প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছিলেন।

