জ্বালানি সংকটের মধ্যে ঘরে মাত্র ৪ লিটার পেট্রোল সংরক্ষণ করায় এক ব্যক্তিকে ২১ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন শ্রীলঙ্কার একটি আদালত। একইসঙ্গে তাকে প্রায় ১,৫০০ রুপি জরিমানাও করা হয়েছে। ঘটনাটি দেশটিতে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তির দাবি, তিনি কোনো অবৈধ ব্যবসা বা বিক্রির উদ্দেশ্যে পেট্রোল মজুত করেননি। বরং ঘরোয়া কাজে, বিশেষ করে ঘাস কাটার মেশিন চালানোর প্রয়োজনেই ওই সামান্য পরিমাণ জ্বালানি নিজের বাড়িতে রেখেছিলেন।
তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জ্বালানি সংরক্ষণে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকাকালে তাকে পেট্রোলসহ আটক করা হয়। পরে প্রচলিত আইনের আওতায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয় এবং আদালত তাকে দণ্ড দেন।
শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী যুক্তি তুলে ধরে বলেন, তার মক্কেল কোনো বেআইনি কার্যক্রমে জড়িত নন। এছাড়া বৈধ ব্যবহারকারীদের নির্দিষ্ট প্রয়োজনে জ্বালানি সংরক্ষণের অধিকার থাকা উচিত বলেও দাবি করেন তিনি।
আইনজীবী আরও প্রশ্ন তোলেন, আইনে যদি নির্দিষ্ট পরিমাণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ না থাকে, তাহলে এত অল্প পরিমাণ পেট্রোল রাখার জন্য কারাদণ্ড দেওয়া কতটা যুক্তিসঙ্গত।
ঘটনাটি জ্বালানি সংকটকালে আইন প্রয়োগের মাত্রা ও তার যৌক্তিকতা নিয়ে শ্রীলঙ্কাজুড়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে।

